সুখবর শৈশবে দেওয়া বিসিজি টিকা বাঁচাবে করোনা থেকে

0
140
unikbd

করোনা জ্বরে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। প্রতিমুহূর্তে বেড়ে চলছে মৃত আক্রান্তের সংখ্যা।পৃথিবীর সকল শক্তিধর দেশগুলোকে কাবু করে ফেলছে বর্তমান করোনাভাইরাস। পাশাপাশি চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা প্রতিমুহূর্তে চেষ্টা করে যাচ্ছে এই মরণ ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের।

বে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত সুখবর হলো, বিসিজি টিকা! অনেকেই ভাবতে পারেন এটা আবার কি? পরিষ্কার করে বলছি বিসিজি টিকা হচ্ছে, একটি ভ্যাকসিন বা টিকা। বর্তমানে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন যক্ষার প্রতিষেধকে সুফল মিলতে পারে করোনা চিকিৎসার।

বিভিন্ন দেশে গবেষণা করে দেখতে পেয়েছেন, বিসিজি ব্যাসিলাস ক্যালমেট-গুউরিন যা যক্ষা রোগের(টিবি) ভ্যাকসিন হিসেবে মূলত ব্যবহৃত হয় তা করোনা বিরুদ্ধে একটি সম্ভাব্য নতুন হাতিয়ার হতে পারে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট কলেজ টেকনোলজি অফ অস্টি ও প্যাথিক মেডিসিনের এক গবেষণায় এমনটাই জানানো হয়েছে।এবিষয়ে নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি কলেজ অস্টি প্যাথিক মেডিসিন এর পক্ষ থেকে বলা হয়, পৃথিবীর যেসব দেশে বিসিজি টিকাদান কর্মসূচি নেই যেমনঃ ইতালি, নেদারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র মানুষের করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে দীর্ঘ মেয়াদী টিকাদান কর্মসূচি যেসব দেশে চালু আছে ওইসব দেশে করোনা আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা কম।

গবেষণায় দাবি করা হয়, বিসিজি টিকা আসার পর থেকে বিশ্বে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। উদাহরণস্বরূপ বলা হয় বিসিজি টিকা কর্মসূচি জাপানে ১৯৪৭ সালের সার্বজনীন করা হয় মৃত্যুর হার ০.২৮ ভাগ ও ইরানে বিসিজি টিকা সর্বজনীন করা হয় ১৯৮৪ সালে মৃত্যুর হার ১৯.৭। ব্রাজিলে সর্বজনীন করা হয় ১৯২০ সালে সেখানে মৃত্যুর হার ০.০৫৭৩ এবং বাংলাদেশে বিসিজি টিকার কর্মসূচি ১৯৭৯ সাল থেকে নবজাতকে বিসিজি টিকা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে এখন প্রায় ৯৯.৭৬ শতাংশ মানুষের শরীরে টিকা দেওয়া হয়েছে ফলে বাংলাদেশের মানুষ আশা করতে পারে এই বিসিজি টিকা দেওয়ার ফলে বর্তমানে করোনা ভাইরাসের মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে।

 

 

 

unikbd

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে