তাহিরপুরে ফের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪

0
76
unikbd

টাইফুন মিয়া, তাহিরপুর প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে গরুর ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে হানিফ শিকদার (৩০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের আহত হয়েছেন আরো ৪ জন।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ইছবপুর গ্রামের পার্শ্ববর্তী হাওরে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত ব্যক্তি ইছবপুর গ্রামের মৃত নেকবর ওরফে লেম্বু শিকদারের ছেলে হানিফ শিকদার (৩০)।

আহতরা হলেন- নিহতের বড় ভাই আবুল কালাম সিকদার (৫০) এবং তার ছোট ভাই কবির শিকদার (২৫)। অপর পক্ষের একই গ্রামের লায়েছ শিকদারের ছেলে হাবিবুর শিকদার (৪০) ও তার ছেলে তানভীর সিকদার (১০)।

গ্রামবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর বাড়ির পিছনের হাওর থেকে গরু নিয়ে বাড়ি আসার সময় ক্ষেতের ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে লেম্বু শিকদারের ছেলে কালাম সিকদারের পথরোধ করে গালিগালাজ শুরু করে ইছবপুর গ্রামের লায়েছ শিকদারের ছেলে মনির শিকদার (২৮) ও হাবিবুর শিকদারের ছেলে রাজু শিকদার (২০)।

এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। ঘটনার খবর পেয়ে লায়েছ শিকদারের ছেলে মনিরের বড় ভাই হাবিবুর ও কয়েকজন সহযোগী মিলে কালামের উপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা করে। এ সময় কালামের ছোট ভাই নিহত হানিফ ও কবির তাদেরকে বাঁধা দিতে গেলে তাদেরকেও মারধর করে গুরুতর আহত করে।

এততাবস্থায় তাদেরকে রাতে বেলায় বাদাঘাট বাজারের স্থানীয় চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাত ১০ টার দিকে তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য বলেন। পরে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালেই হানিফ মারা যান।

এদিকে হানিফের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকে হাবিবুরসহ তার আত্মীয় স্বজনরা পলাতক রয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই সুনামগঞ্জ সদর থানার এসআই অঞ্জন সরকার সদর হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে মর্গে প্রেরণ করেন।

তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার খবর পেয়েই শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তবে এ ই এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

unikbd

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে